অনলাইন ডেস্ক:

অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও ধলঘাটার সুপার ডাইক বেড়িবাঁধ প্রকল্প। অনুমোদন হলেই ডিসেম্বরে শুরু হবে উক্ত দুই ইউনিয়নের সুপার ডাইক বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ।

উক্ত সুপার ডাইক বেড়িবাঁধ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

ইতিমধ্যে কুতুবদিয়া উপজেলার জরিপও শেষ হয়েছে। অচিরেই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে প্রস্তাব। উক্ত বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়ীবাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার ও কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

অনুমোদন হলেই চলতি বছর ডিসেম্বরেই শুরু হবে মাতারবাড়ী, ধলঘাটায় সুপার ডাইক বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ। এতে শতভাগ সুরক্ষিত হবে মহেশখালীর এই দুই ইউনিয়ন। এটি স্থানীয় লোকজনের দীর্ঘদিনের দাবী হলেও সেই স্বপ্ন পুরণ হতে যাচ্ছে অচিরেই।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইশতিয়াক নয়ন জানিয়েছেন, মাতারবাড়ি ও ধলঘাটায় ১৭.৭৫ কিলোমিটার সুপার ডাইক বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি এই প্রস্তাবনা অচিরেই অনুমোদন পাবে।

সুপার ডাইক বেড়িবাঁধের উচ্চতা হবে ১০ মিটার, প্রস্থ হবে ৯ মিটার। সুপার ডাইকের উপরে হবে অত্যাধুনিক সড়ক। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ধলঘাটার পশ্চিমে হাসের চরের ৩২৫ একর জমি সুপার ডাইকের ভিতরে চলে আসবে। কোহেলিয়া নদী ও নোনাছড়ি নদী ড্রেজিং হবে এছাড়া সুপার ডাইকের অভ্যন্তরীণ ২০ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।