নিউজ ডেস্ক:

আগষ্ট শোকের মাস। এই আগষ্ট মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁরই স্মৃতিচারণ করে বর্তমনা প্রজন্মের কাছে স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর অগ্রণী ভূমিকা তোলে ধরতে এবং করোনাকালে ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের মনকে প্রফুল্ল করতে রিপোর্টার্স ইউনিটি মহেশখালী “অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতা” মতো ব্যতিক্রমী, আয়োজন করতে যাচ্ছে।

রবিবার রিপোর্টার্স ইউনিটি মহেশখালীর ফেসবুক পেইজ থেকে একটি পোস্টে তা জানানো হয়েছে। পাঠকদের সুবিধার্তে পোস্টি নিম্নে হুবুহু তোলে ধরা হলো:

“১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিন। বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। কেননা পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে স্ব-পরিবারে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শোকের সে দিনটিকে স্মরণ করতে “রিপোর্টার্স ইউনিটি মহেশখালী” আয়োজন করতে যাচ্ছে অনলাইন “রচনা প্রতিযোগিতা”।

রচনার বিষয়:

ক) ১৫ আগস্ট-ইতিহাসের কালো অধ্যায়।                     (৬ষ্ঠ -১০ম শ্রেণী)                                              (৮০০-১০০০ শব্দসীমা)।

খ) বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ
(একাদশ থেকে স্নাতক)
(১০০০-১৫০০ শব্দসীমা)।

নিয়মাবলিঃ
১.অংশগ্রহণকারীকে, reportersunitymoheskhali@gmail.com এই ই-মেইল বা (হোয়াটসঅ্যাপ- ০১৮৪০০০২১২২) এ A4  Size পেপার/কাগজে স্ব-হস্তে রচনাটি লিখে আগামী ১০ই আগষ্টের মধ্যে পাঠাতে হবে।

২. অংশগ্রহনকারীকে রচনার শিরোনামের পূর্বে নিজের নাম,অভিভাবকের নাম,শ্রেণী,রোল নং এবং যোগাযোগের জন্য নিজের/অভিভাবকের মোবাইল নং উল্লেখ করতে হবে।

(**দুই গ্রুপ থেকে মোট ৬ জন সেরা প্রতিযোগীকে পুরস্কার প্রদান করা হবে।)

বিঃদ্রঃ প্রতিযোগিতার ফলাফল ১৫ই আগস্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি মহেশখালী’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা হবে। বিস্তারিত জানতে, উল্লেখিত নাম্বারে যোগাযোগ করুনঃ ০১৮৪০০০২১২২, ০১৮৬৭৪৯৭৯৪৭.”

এব্যাপারে রিপোর্টার্স ইউনিটি মহেশখালীর নবগঠিত কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ ওয়াহেদ হোসাইন আমির যৌথ এক বক্তব্যে দ্বীপ নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানায়, বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগষ্ট নিহত সকলের স্মরণে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা পুনরুজ্জীবিত করতে, করোনাকালীন মহেশখালীর ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের মনকে প্রফুল্ল করার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে।

ভবিষ্যতেও এধরণে আরো বিভিন্ন আয়োজন করার কর্মপরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তাঁরা।