এ.কে.রিফাত: (নিজস্ব প্রতিবেদক)

শেষ ধাপের ইউপি নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর দুই ইউপি বড় মহেশখালী এবং কালারমারছড়ার নামও রয়েছে। এই দুই ইউপিতে আগামী ১৫ জুন ভোট গ্রহনের কথা রয়েছে।ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্ধের পর থেকে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনায় নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে প্রার্থীদের স্ব-স্ব নির্বাচনী এলাকায়।

৩১ মে মঙ্গলবার মহেশখালী পৌরসভাস্থ অহনা কনভেনশন হলে বড় মহেশখালী ও কালামারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২২ ইংরেজি উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের সাথে বিশেষ আইন শৃঙ্খলা ও আচরনবিধি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইয়াছিন।

প্রার্থীদের সাথে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন,কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম,মহেশখালী কুতুবদিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু তাহের ফারুকী, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃআব্দুল হাই (পিপিএম), উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও দুই ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার বিমলেন্দু কিশোর পাল সহ দুই ইউপির সকল পদের প্রার্থীগণ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

উক্ত সভায় প্রার্থীদেরকে উন্মুক্ত আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয় যার ফলে দুই ইউপির সকল প্রার্থীরা তাদের নিজেদের অবস্থান এবং তাদের প্রতিদন্ধী প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্গনের অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ হয়।নানান পদের প্রার্থীদের কাছ থেকে তাদের প্রতিদন্ধী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে উপস্থিত সকল পদের প্রার্থীদের উদ্যেশ্যে নির্বাচনী আচরনবিধি মেনে চলার জন্য এবং নির্বাচন যাতে সুষ্টু ও অবাধ এবং নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন উপস্তিত বক্তারা।

সভাপতির বক্তব্যে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান,বড় মহেশখালী ও কালারমারছড়া ইউপি নির্বাচন সুষ্টুভাবে অনুষ্টানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নানান পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন যা এরিমধ্যে বাস্তবায়ন হচ্ছে।এছাড়াও দুই ইউপির যে সমস্ত প্রার্থী দেওয়ালে পোষ্টার লাগিয়েছেন তা আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তুলে ফেলার নির্দেশ দেন।তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট ঘোষনা হচ্ছে নির্বাচনে কোন ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই এবং জনগনের প্রত্যক্ষ রায় নিয়েই প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে।এক প্রার্থী আরেক প্রার্থীর উপর হামলা করলে তা কোনমতেই বরদাস্থ করা হবে না।কোন প্রার্থী যদি পেশি শক্তি ব্যাবহার করে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্গন করে তবে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃরফিকুল ইসলাম বলেন আগামী ১৫ জুন অনুষ্টিতব্য মহেশখালীর দুই ইউপি নির্বাচন সুষ্টু অবাধ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে কক্সবাজার জেলা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছেন।তারই ধারাবাহিকতায় বড় মহেশখালী ও কালারমারছড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।কোন প্রার্থী যদি তাদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনায় আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘঠায় তবে সে যেই হোক না কেন তাকে সংশ্লিষ্ট বিধি মোতাবেক আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রার্থীদের উদ্দ্যেশ্যে মহেশখালী নির্বাচন অফিসার এবং কালারমারছাড়া ও বড় মহেশখালী ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার বিমলেন্দু কিশোর পাল বলেন,সকল কল্পনা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১৫ জুন মহেশখালীর দুই ইউপির নির্বাচন অনুষ্টানের লক্ষ্যে সব ধরনের ব্যাবস্থা সম্পন্ন করেছেন উপজেলা নির্বাচন অফিস।তারই ধারাবাহিকতায় যে সমস্ত প্রার্থী তাদের নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্গন করেছেন তাদেরকে বিধি অনুযায়ী ব্যাবস্থা সহ জরিমানা করা হচ্ছে।১৫ জুন ভোট গ্রহনের আগে বা পরে যদি কোন প্রার্থী নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্গন সহ অপ্রিতিকর কোন কার্যকলাপ সংগঠিত করে তবে সে দলেরই হোক তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।