কুতুবজোম ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে বিদ্রোহি প্রার্থী খোকনের মতবিনিময় – তিনি বলেন, আমি ব্যালটের ক্ষমতা চেয়েছিলাম বুলেটের নয়

এম বশির উল্লাহ, মহেশখালী:

সদ্য সমাপ্ত হওয়া মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন খোকন সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ।

গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুতুবজোম ব্যক্তিগত অফিসে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখন মনে হচ্ছে আমার নির্বাচনে সিদ্ধান্ত ভুল ছিল । যদি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াতাম তাজা একটি প্রাণ রক্ষা পেত নির্বাচনে এত শুন্যতা হবে তা বুঝতে পারিনি একজন মানুষের প্রাণের ভার যে কত ওজন তা বুঝতে হলে তার পরিবারের চেহারা গুলো দেখে বুঝা যায় তারা এত নির্লজ্জ ছিল তারা আমার সামনে উল্লাস করে ছিল এই নির্বাচনে আমার উপর দেওয়া ওজন বা দায় আমি কখনো কমাতে পারবো কিনা জানিনা তবে যতদিন বেঁচে থাকব চেষ্টা করব আবুল কালামকে আল্লাহ পাক দান করুক বেহেশতের সর্বোচ্চ মোকাম

এসময় তিনি গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রের ব্যাপারে গুরুতর অভিযোগ আনেন। খোকন বলেন, কুতুবজোমের কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে নীল নক্সার নির্বাচন হয়েছে। ২,৩ টি ভোট কেন্দ্র থেকে চশমা মার্কার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে লাল মোহাম্মদ সিকদার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কুতুবজোম জামেউস সুন্নাহ দাঃ উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে চশমা মার্কার নির্বাচনী এজেন্টদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।

আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন খোকন আরো বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা মার্কার প্রার্থী মোঃ শেখ কামাল এ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারদের নিয়ে প্রভাব বিস্তার করে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ভোট কেটে নিয়েছে। বিশেষ করে ভোট কেন্দ্রে গুলি করে চশমা মার্কার সমর্থক আবুল কালাম নামে একজন ভোটারকে খুন করেন শেখ কামালের সমর্থকগণ। এ সময় ভয় ভীতি দেখিয়েনৌকা মার্কায় ভোট কেটে নেয়া হয়। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, এবার মৃত ব্যক্তিদের ভোটও নিয়েছে নৌকায়।

যেমন, লাল মোহাম্মদ সিকদার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ভোটার ছিল ২৯৫৮ জন। এখানে কাস্টিং হয়েছে ২৯০৩ ভোট। তার মানে শতকরা ৯৮.১৪ ভোট কাস্ট করা হয়েছে। অথচ অন্যান্য কেন্দ্রে ভোট কাস্ট হয়েছে শতকরা ৫০% বা ৬০%। যে, মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছে। । তিনি আরো বলেন, শেখ কামাল মাওলানা গফুরকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেন। যা অত্যন্ত লৌম হর্ষক ঘটনা। আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে রাজনীতি করি। পদ পদবীর জন্য রাজনীতি করিনা। । তিনি তার সমর্থকদের উদ্দেশ্য । সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।