দ্বীপ নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে এবং কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে পদায়ন পাওয়া কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী এবং কুতুবদিয়ার দুই রত্ন এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা এবং এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম ছমি উদ্দিন।

গতকাল ২৮ শে নভেম্বর (শুক্রবার) জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে তিনি দুই দ্বীপ রত্নের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য যে, গত ২৫ শে নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপির স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে মনোনীত করেন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত একটি প্রেসে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীকে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন।

তার-ই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২৮ শে নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে কক্সবাজার-২ আসনের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপির উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই দ্বীপ রত্নের সাথে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম ছমি উদ্দিন।

এ ব্যাপারে আলহাজ্ব জিএম ছমি উদ্দিন দ্বীপ নিউজকে জানায়, গত ৩০ বছরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কমিঠিতে আমাদের কক্সবাজার থেকে কেউ ছিল না, তাও ৩০ বছর আগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন এডভোকেট জহুরুল ইসলাম। কক্সবাজার থেকে এই সর্বপ্রথম কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় পদে মনোনীত হন এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা তাই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

তাছাড়া তিনি আরো জানান, তৃণমূল থেকে ওঠে আসা হাজারো বাঁধা সংগ্রাম পেরিয়ে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী। তৃণমূল থেকে ওঠে আসা মহেশখালী – কুতুবদিয়ার এই দুই রত্নের এই সফলতা আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জন্য আনন্দের বলে মনে করেন জিএম ছমি উদ্দিন।