1. dwipnews24.info@gmail.com : Dwip News 24 :
  2. editor@dwipnews24.com : Newsroom :
সেমিতে সদরের লজ্জাজনক হার - পরাজয় না মেনে হামলা; ফাইনালে ওঠেই গেলো মহেশখালীর দলটা | দ্বীপ নিউজ
February 5, 2023, 11:36 pm
শিরোনাম :
মহেশখালীতে চোলাই মদের কারখানায় পুলিশের অভিযানে আটক ১জন; মদ সহ সরঞ্জাম জব্দ কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে মাঝিমাল্লা সহ মাছভর্তি ট্রলার নিখোঁজ মহেশখালীতে ওসির নেতৃত্বে অস্ত্র ও মাদক তৈরীর কারখানার সন্ধান: বিপুল পরিমান সরঞ্জামাদি উদ্ধার কাল মাতারবাড়ী আসছেন শায়েখ মুফতি জহিরুল ইসলাম ফরিদী মহেশখালী বাইতুল আমান হেফজখানার দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান সম্পন্ন; পাগড়ি পেলেন ৮ হাফেজ ইয়াবা ব্যবসায়ী কর্তৃক সাংবাদিক নুরুল আলম সিকদারকে হত্যার হুমকি: থানায় জিডি কক্সবাজারে আজগুবি তালিকা নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি, তালিকা সম্পর্কে জানেনা কোন সংস্থা জেলার সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নূরী, সা-সম্পাদক আলম সাংবাদিক শফিউল্লাহ শফির বিরুদ্ধে মানহানিকর সংবাদে উদ্বেগ জানিয়ে কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের বিবৃতি মহেশখালীর পাহাড়ি গাছে বেঁধে সিএনজি ড্রাইভারের হাতের কব্জি কেঁটে নিল সন্ত্রাসীরা

সেমিতে সদরের লজ্জাজনক হার – পরাজয় না মেনে হামলা; ফাইনালে ওঠেই গেলো মহেশখালীর দলটা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, জুন ৭, ২০২২
  • 247 ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দফায় দফায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও হামলার মধ্যেও ঠেকানো গেল না মহেশখালী উপজেলার জয়। অবশেষে সদর উপজেলা ফুটবল দলকে ট্রাইব্রেকারে ৪-৫ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টের স্বপ্নের ফাইনালে পৌঁছেছে মহেশখালী উপজেলা দল।

এই ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলার অভিযোগের তীর সদর উপজেলার কোচ খালেদ আজম বিপ্লবের দিকে। ঘটনার পর পর স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক দর্শককে বলতে শুনা গেছে এক বিপ্লবেই কলংকিত করলো জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টকে।

জানা যায়-সোমবার (৬ জুন) বিকেল কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ২য় সেমিফাইনাল।

খেলা শুরুর ২২ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলকে এগিয়ে নেন বিদেশী খেলোয়াড় বামপা। এরপরেই দর্শক সারি থেকে মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় বিশেষ করে গোলরক্ষক সাঈদীকে লক্ষ্য করে পানির বোতল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের মাধ্যমে প্রথমার্থের খেলা শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্থের খেলা শুরুর পর আবারও দর্শক গ্যালারি থেকে মহেশখালী উপজেলা ফুটবলের দলের গোলরক্ষককে লক্ষ্য করে পানির বোতল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে পুলিশের সাথে দর্শকদের কয়েকদফা ধাওয়া দেয়। কিন্তু এতেও কোন কাজ হয়নি। ফলে ৫ মিনিটের মত সময় খেলা থেকে বিরত থাকে মহেশখালী উপজেলা দল।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিভিষণ কান্তি দাশ ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক সিনিয়র কর্মকর্তার আশ্বাসে খেলার মাঠে ফিরে মহেশখালীর খেলোয়াড়রা। সর্বশেষ ১-১ গোলে শেষ হয় নির্ধারিত পুরো সময়ের খেলা। এরপর ট্রাইব্রেকারে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে সদর উপজেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে মহেশখালী। খেলার পর মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা যখন নিজেদের নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করছিল তখন সদর উপজেলা ফুটবল দলের কোচ খালেদ আজম বিপ্লব, শহরের লাইট হাউস এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াবা ব্যাবসায়ী, ফুটবল খেলোয়াড় শেফায়েত, ফাহিম নেতৃত্বে বহিরাগত ২০/৩০ জন লোক সেখানে উপস্থিত হয়ে মহেশখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী সদস্য আশরাফুল আজিজ সুজনের সাথে কোন কারণ ছাড়াই তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই সুজনের উপর হামলা চালায় বিপ্লবের নেতৃত্বে বহিরাগতরা। এসময় সুজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়েছেন মহেশখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক আ ন ম হাসান, কোচ শামসুল আলম রনি, সহকারী কোচ নুরুল হক মেহেদী, গোলরক্ষক সাঈদীসহ বেশ কয়েকজন। পরে পুলিশী নিরাপত্তায় মাঠ ত্যাগ করেন মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা।

কক্সবাজার ক্রীড়ালেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক মাহাবুবুর রহমান জানান, মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল অসাধারণ খেলেছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা দলও ভালো খেলেছে। কিন্তু খালেদ আজম বিপ্লব এর নেতৃত্বে যে ন্যক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। তা খুবই দুঃখজনক। তার হামলায় মহেশখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আজিজ সুজনসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। এই হামলা ও বিপ্লবের গুন্ডামির তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

মহেশখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হামলার শিকার আশরাফুল আজিজ সুজন জানান, সদর উপজেলা যেকোন খেলায় পরাজিত হলেই ন্যাক্কারজনক হামলার জন্ম দেয়। প্রতিবারেই এই হামলার ঘটনা ঘটায় খালেদ আজম বিপ্লবের নেতৃত্বে তার সংঘবদ্ধ খেলোয়াড় নামধারী ছাত্রদল সন্ত্রাসী শেফায়েত, ফাহিম ও বাবুসহ ১০/২০ জনের লাঠিয়াল বাহিনী। আমরাই ক্রীড়াঙ্গনের পরিচ্ছন্ন একজন কর্মী হিসেবে সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরে পেতে উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে খালেদ আজম বিপ্লব বলেন, এখানে যা কিছু ঘটেছে সব মিথ্যা। খেলায় মহেশখালী টিম যখন জিতেছে তখন ওখানে নাইজেরিয়ান ও লোকাল কিছু খেলোয়াড় তাদের র্দূনাম করতেছে। তখন সুজন খেলোয়াড়দের উস্কানি দিচ্ছে। আমি বলেছি তুমি আমার জুনিয়র, দর্শকদের তুমি উত্তেজিত করিওনা। এর কারনে এঘটনা ঘটেছে। এখানে কে কিভাবে কারে মারছে তা আমি জানিনা। কক্সবাজার ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি অনুপ বড়ুয়া অপু জানান, খেলায় হার-জিত থাকবেই। মহেশখালী ভালো খেলেছে বলেই জয় লাভ করেছে। কিন্তু তাদের উপর যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে তাতে সত্যিই আমরা লজ্জিত। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের আমরা চিহ্নিত করেছি। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ ফাইনাল খেলা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ করার জন্য কার্যকরী পরিষদ ও আয়োজক কমিটি জরুরি বৈঠক বসে সিন্ধান্ত নেবে।

কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল জানান, খেলার পর পরেই যে ঘটনা ঘটেছে তা দেখে খুবই ব্যতিত। আশা করব ভবিষ্যতে আয়োজক কমিটি খেলোয়াড়সহ দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

কক্সবাজার ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জসিম উদ্দিন জানান, খেলার পর যারা কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের উপর হামলা করেছে এটা কখনো কাম্য ছিলনা। হামলাকারিদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিভিষণ কান্তি দাশ বলেন, আমরা পুরুস্কার দিয়ে চলে আসার আগ পর্যন্ত খেলা সুষ্ঠু মত হয়েছে। তবে এরপর কি হয়েছে সেটা আমাদের জানা নেই। যদি খেলার মাঠে কোন খেলোয়াড় কিংবা কর্মকর্তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে তাহলে সেটি অত্যন্ত দু:খজনক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত © 2022 dwipnews24.net
Desing & Developed BY ThemeNeed.com
error: Content is protected !!