দেশের মাটির টানে নিজের অবস্থান থেকে অবধি পর্যন্ত রাজনৈতিক মাঠ এখনো বিরাজমান রয়েছে। তারমধ্যে রাজনৈতিক মাঠ অঞ্চল বেদে ভিন্নতা রয়েছে যার ধরুন আঞ্চলিকতায় আমরা গ্রাম রাজনীতি (ভিলেজ পলিটিক্স) এর সাথে জড়িত।

এখানে একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখতে পাওয়া যায় এখানে নেতৃত্ব দিয়ে থাকে উচ্চ মহল বা সমাজের নিম্ন মহল।লোকে লোকে এমনও বলে সমাজে নেতৃত্ব দেয় অসচেতন মাতব্বররা,তারা কিছু বোঝে না নিজের আধিপত্য বিস্তার করার জন্য টাকা কে পুঁজি করে বাজারে বা সমাজে তাদের উষ্ণতা বজায় রাখে। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে সুর সুর গীত গেয়ে নিজের স্বার্থ কুড়াতে ব্যস্ত থাকে। এখানে চলে শাসনের নামে অমানবিক নির্যাতন,উন্নয়নের নামে লুটপাটের মহা রঙ্গ মঞ্চ।

বিশেষ করে গ্রাম রাজনীতি দিন দুপুরে সত্য কে মিথ্যার আড়ালে চাপিয়ে দেয়, কথায় আছে শক্তের ভক্ত নরমের জম এই কথা গ্রামে মিলে যায়। সর্বোপুরি শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত হোক গ্রামের রাজনীতির নেপথ্যে সমাজের কিছু মুখোশ পরিহিত দুষ্ট লোকদের হাতে বন্দী। তারা সমাজের উঁচু উঁচু মাথার সাথে সমন্বয় করে তীল কে তাল বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় ন্যস্ত থাকে। সমাজের সুশিক্ষিত তথা সুনাগরিক মধ্যবিত্ত ভদ্ররা প্রতিবাদের আঙুল তুললে কোন এক বিচ্ছিন্ন রটনায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় ফলে তারা-ও আজ নিরবতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আছে। কিন্তু না এভাবে একটা সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা হতে পারে না যতো অপরাধ, লুটপাট, মিষ্টি মিষ্টি কথা, বক্তৃতার বড় বড় কথা জবাবদিহিতায় থাকা লাগবে এবং সুন্দর এক সুশৃঙ্খল সমাজ বিবর্তনে জনসাধরণ এর ভূমিকা প্রয়োজনীয়তা আছে।

নিরবতা কখনো জাতির কল্যাণ বয়ে আনে না কেননা বর্তমানে অনিয়ম যেন এই সমাজে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে, জনগণ সহ্য করতে শিখে গেছে, ইতিহাস বিজ্ঞান বলে ততক্ষণ নিজেকেই দাসত্ব মনে হবে যতক্ষণ নিজেকে দাসত্ব মনে করবে-তাহলে এই সমাজ এই অনিয়ম পরিবর্তন করা যাবে না কেননা এক্ষেত্রে সহ্য করা শিখে গেলে তা নিশ্চিত পরিবর্তন করা যাবে না-জাগো জাগো সবাইকে মুখ খুলতে হবে,প্রতিবাদের দুটো’ হাত উপরে তুলে জাগ্রত বিবেক দিয়ে সংশোধনী স্লোগান দিয়ে সমাজ কে পরিবর্তন করতে হবে -পরিবর্তন করার এখনই উপযুক্ত সময় বলে মনে করি।

একটা জনগোষ্ঠীর ঐক্যতা সমাজ বা গ্রামের পরিবর্তন বয়ে আনতে পারে, পরিবর্তনে জনসাধারণের ভূমিকা পালন করতে হবে।

– মানিক খাঁন
শিক্ষার্থী – ওমরগণি এম ই এস কলেজ চট্টগ্রাম।