1. dwipnews24.info@gmail.com : Dwip News 24 :
  2. editor@dwipnews24.com : Newsroom :
জিম্মি লক্ষাধিক মানুষ; মহেশখালীর দুই ইউনিয়নে ভয়াবহ সড়ক বিপর্যয় | দ্বীপ নিউজ
February 28, 2024, 10:01 pm
শিরোনাম :
মহাকাশ গবেষণায় মহেশখালীর ১১ শিশু-কিশোরের সফলতা মাতারবাড়ি প্রকল্পের ভিতরে সাংবাদিক রকিয়তকে আটকে রেখে মারধর ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন মাতারবাড়ীতে সাংবাদিকদের হাত-পা কেটে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাজাকে বিভিন্ন মহলে অভিনন্দন কক্সবাজার জেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা সম্মাননা পেলেন শাহরিন জাহান মহেশখালীতে ভুমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকার সুরক্ষার তাগিদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার-২ থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন সাংবাদিক নেতা মাওলানা ইউনুস মহেশখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় নিহত ১, নগদ টাকাসহ ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ  দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রধানমন্ত্রী আসছেন মাতারবাড়ী, সমাবেশে ২০ টি দাবি উত্থাপন করা হউক ডুসাম’র নবীন বরণ, বিদায়, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও স্মরণিকা “মিষ্টি পান” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত

জিম্মি লক্ষাধিক মানুষ; মহেশখালীর দুই ইউনিয়নে ভয়াবহ সড়ক বিপর্যয়

  • আপডেটের সময় : বুধবার, অক্টোবর ৫, ২০২২
  • 253 ভিউ
ছবি: দ্বীপ নিউজ টোয়েন্টিফোর।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহেশখালী উপজেলার দুই ইউনিয়নকে ঘিরে গড়ে উঠতেছে বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প। যেমন – কয়লাবিদ্যুৎ, গভীর সমুদ্র বন্দর, অর্থনৈতিক জোন, এলএনজি টার্মিনাল সহ নানান উন্নয়ন প্রকল্প। এ অঞ্চলে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প স্থাপন হওয়ার কারণে, দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভবনাময় একটি এলাকা হিসাবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে মহেশখালীর সর্ব উত্তরের মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়ন।

মহেশখালীর সর্ব উত্তরের এই দুই ইউনিয়ন (মাতারবাড়ী – ধলঘাটা) কে উপজেলার প্রধান ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত করেছে, চালিয়াতলি – মাতারবাড়ী দীর্ঘ ৫ কিলোমিটারের একমাত্র প্রধান সড়কটি। এছাড়া মাতারবাড়ী রাজঘাট থেকে ধলঘাট ইউনিয়নের নাছির মোহাম্মদ ডেইল পর্যন্ত, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের অভ্যন্তরে ৮ কিলোমিটার। ও নাছির মোহাম্মদ ডেইল হতে ধলঘাটা ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল পর্যন্ত, ধলঘাটা ইউনিয়নের অভ্যন্তরে ৭ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে।

এই দুই ইউনিয়নের সর্বমোট ২০ কিলোমিটার প্রধান সড়কের বেহালের অবস্থার কারণে, উভয় ইউনিয়নের প্রায় ১ লাখ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্থ ও দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। অরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে এই ইউনিয়ন দুটি উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের থেকে পিছিয়ে পড়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী।

মাতারবাড়ী – চালিয়াতলি সড়কটি অকেজো হওয়ার কারণ হিসাবে এলাকাবাসী চিহ্নিত করছেন, মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল নিয়ে ধারণক্ষমতার অধিক গাড়ী চলাচল। যদিও টেকসই ভাবে এই সড়কটি নির্মাণ করতে জাইকার অর্থায়নে কাজ চলছে খুব ধীর গতিতে। সড়কটির কালভার্ট ও ছোট ব্রীজ গুলো খুলে ফেলার কারণে, সাময়িক চলাচলের জন্য যে কানেক্টিভ রাস্তা তৈরি করছে তাও খানাখন্দে ভরা। কার্পেটিং আছে এমন রাস্তার দু’পাশ ক্ষয়ে গেছে এবং ইটের সলিংয়ের রাস্তার মাঝখানে তৈরি হয়েছে বিশাল গর্ত। যারকারণে ঘন্টার পর ঘন্টার জন্য তৈরি হয় যানজট, নিয়মিত লেগেই আছে সড়ক দূর্ঘটনা।

এব্যাপারে মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবু হায়দার বলেন, বর্তমানে রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে৷ রাস্তার পাইলিংয়ের কাজ শেষ এবং কালভার্টের কাজ চলতেছে৷ নির্দিষ্ট কার্যদিবসের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি আরো জানান, রাজঘাট থেকে সাইরার ডেইল পর্যন্ত প্রধান সড়কের কাজের জন্য জাইকা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। অনুমোদন হলে স্থায়ীভাবে সড়কটির কাজ হবে। এরমধ্যে আমি সড়কটি চলাচল উপযোগী করতে নিজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন পাঠিয়েছি।

মাতারবাড়ীর অভ্যন্তরীণ প্রধান সড়কের নাজুক অবস্থার ফলে যাত্রীবাহী যানচলাচলেও দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চালক ও যাত্রীদের। মাস কয়েক পূর্বে মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুমিতমো করপোরেশনের অর্থায়নে সাময়িক সংস্কার কাজ চললেও তা ঠেকেনি ৩ মাসও।

এছাড়াও ধালঘাটা ইউনিয়নের স্থানীয় ১নং ওয়ার্ড নাছির মোহাম্মদ ডেইল থেকে সুতরিয়া বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার সড়ক নিয়েও বেশ দূরাবস্থায় রয়েছে ইউনিয়ন বাসী। ইউনিয়নটির একমাত্র প্রধান সড়ক কাদামাটিতে পরিপূর্ণ হওয়ায়, যান চলাচল ছাড়াও হাঁটার মতো অবস্থা নেই বলে জানায় স্থানীয়রা। ফলে নিয়মিত রোগী নিয়ে যাতায়াত, খাদ্যশস্য পরিবহন ও জরুরি প্রয়োজনে স্থানীয়দের চলাচলে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সুতরিয়া থেকে ইউনিয়নটির সাপমারার ডেইল পর্যন্ত ৩ কিলোমিটারের সড়কটির উভয় পাশে গাইড ওয়াল, ও ইটের সলিং দ্বারা পূণরায় তৈরি করেছে বলে জানায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান।

তিনি আরো জানান, নাছির মোহাম্মদ ডেইল থেকে সুতরিয়া পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার সড়কটির জন্য বরাদ্দ হয়েছে। ভাঙ্গা ও কাদামাটির এই সড়কটির কাজ আগামী শুষ্ক মৌসুমে শুরু করবে বলে জানায় প্রতিবেদককে।

মহেশখালী উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে জানান, মাতারবাড়ী টু চালিয়াতলি সড়কটিতে তিনটি প্যাকেজে কাজ চলবে৷ বর্তমানে কালভার্টের কাজ চলমান রয়েছে৷ মাঝখানে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়াতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ একটু ধীরগতিতে করে৷ বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে। ধলঘাটা ইউনিয়নের প্রধান সড়কটি জন্য আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বরাদ্দ হলে শুষ্ক মৌসুমে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত © 2022 dwipnews24.net
Desing & Developed BY ThemeNeed.com
error: Content is protected !!