প্রতিদিনের মত ডাঃ মোহাম্মদ আরমান কাদের মাতারবাড়ি ডিজিটাল হসপিটালে সন্ধ্যা ৭টায় চেম্বার করে। গত ২ জুলাই রাত ৮ টায় ডাঃ আরমান কাদের চেম্বারে জ্বর আর শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরওয়া নামে এক বাচ্চা রোগী আসে। ডাক্তার রোগী দেখার সময় রোগীর জ্বর ছিল ১০৩ ডিগ্রি তা প্রেসক্রিপশনে লেখাই আছে সাথে শ্বাসকষ্ট।

ডাক্তার রোগীকে কিছু পরীক্ষা করতে বলে যা ব্যবস্থা পত্রে লিখাই আছে সাথে রোগীকে ভর্তি রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়। রোগীর সাথে আসা স্বজনরা পরীক্ষা করতে আর ভর্তি রাখতে রাজি হয় নাই। তারা রোগীকে চকরিয়া নিয়ে যাবে বলে আমাদের হাসপাতালের কোন ধরনের চিকিৎসা সেবা না নিয়ে চলে যায়।

একই তারিখে রাত ১০ টার দিকে রোগীর স্বজনরা কারো প্ররোচনায় মারমুখী হয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের দাবি ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে ভুল ঔষধ লিখছে। ডাঃ সাগর ও ডাঃ আরমান তাদের সাথে কথা বলে। তাদেরকে জানায় কোথায় ভুল আছে আর কে ভুল ধরছে তাকে নিয়ে আসেন আমরা কথা বলব। যদি ভুল থাকে তা আমরা মেনে নিব। সে সময় তারা চলে যায়।

মাতারবাড়িতে কিছু হাতুড়ে ডাক্তার ও অবৈধ ফার্মেসি ওয়ালাদের ইন্দনে ডাঃ আরমান কে টার্গেট করে রোগীর আত্মীয় স্বজনদের চেম্বার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ডাঃ মোহাম্মদ আরমান কাদের কে মারাত্মকভাবে আহত করে। এতে ডাক্তার মোহাম্মদ আরমান কাদেরের পায়ে কামড়ের চিহ্ন স্পষ্ট হয়।

উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য চকরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের চিকিৎসা সেবা না নিয়ে কিভাবে বলতে পারে ভুল ঔষধ লিখা হয়েছে? ঔষধ ভুল লিখছে কিনা তা দেখার জন্য একজন রেজিস্ট্রার ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হওয়া জরুরি। একমাত্র একজন এমবিবিএস ডাক্তার বলতে পারেন ঔষধ ভুল লিখছে কিনা।

উসকানিদাতাদের মুখের বক্তব্য নিয়ে রোগীর স্বজনরা হসপিটালে এসে মারমূখী আচরণ করে। একপর্যায়ে হসপিটালে সদুত্তর না পেয়ে হসপিটালের নিচে নেমে অশালীন কথাবার্তাও বলে। এতে তারা শান্ত না হয়ে ডাক্তার মোহাম্মদ আরমান কাদের কে হামলার ছক আঁকে।এর ছকের অংশ হিসেবে তারা ডাক্তার মোহাম্মদ আরমান কাদের কে টার্গেট অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলা চালায়। (যা সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজে প্রমাণিত)

আমরা তথা মাতারবাড়ি ডিজিটাল হসপিটাল এন্ড ডায়াবেটিস সেন্টার কর্তৃপক্ষ এ হামলার তীব্র নিন্দা জানায় এবং সাথে সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

এলাকাবাসীকে দুঃখের সাথে জানাতে চাই যে গত মে মাসে এ অবৈধ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অভিযান পরিচালনার জন্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সেই সরকারি অভিযানের অংশ হিসেবে মাতারবাড়িতে কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসে থেকে অভিযানে আসে। এই অভিযান ডাঃ মোহাম্মদ আরমান কাদের এর নির্দেশে হয়েছে এমন গুজব সারা মাতারবাড়িতে ছড়িয়ে দেয় গুজবকারীরা।

অথচ এই সরকারি অভিযান সারা বাংলাদেশে পরিচালিত হয়। গ্রামের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ডাঃ মোহাম্মদ আরমান কাদেরকে মানুষের মাঝে ভুলভাবে উপস্থাপন করে। এছাড়া হাতুড়ি ডাক্তাররা ভুল চিকিৎসা দিয়ে গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ঠকানো হচ্ছে বলে ডাঃ মোহাম্মদ আরমান কাদের এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রচার করে।

এতে এই স্বার্থন্বেষী মহল, ভুয়া ডাক্তাররা মাতারবাড়ি ডিজিটাল হাসপাতাল এর পিছনে উঠেপড়ে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কিছু দিন কিছু দালাল শ্রেণীর লোক এবং এই স্বার্থন্বেষী মহল ভুয়া প্রমাণ দিয়ে মাতারবাড়ি ডিজিটাল হসপিটাল এর নামে একটি ভিডিওতে অপপ্রচার চালায়। যা সম্পূর্ণ উদ্দ্যেশ্যপ্রনোধীত।পরবর্তীতে সেই বক্তব্যটি ভুল স্বীকার করে সরিয়ে নেওয়া হয়।

মাতারবাড়ি মানুষকে দিনরাত ২৪ ঘন্টা সেবা দিয়ে যাচ্ছে মাতারবাড়ি ডিজিটাল হসপিটাল এন্ড ডায়াবেটিস সেন্টার। এই হাসপাতাল মাতারবাড়ির মানুষের সম্পদ। ডাঃ আরমান কাদের এই মাটি ও বায়ুর ছেলে। নিজ মাতৃভূমির জন্যে ডাঃ আরমান কাদের সর্বদা নিবেদিত।আমাদের এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর। এই যাত্রাপথে মাতারবাড়িবাসীর সঙ্গী হয়ে থাকতে চাই মাতারবাড়ি ডিজিটাল হসপিটাল এন্ড ডায়াবেটিস সেন্টার।

মাতারবাড়ি ডিজিটাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াবেটিস সেন্টার কর্তৃপক্ষ।