নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি গণতন্ত্রের মানসকন্যা সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপিকে নিয়ে বিএনপি জামাত কর্তৃক কটুক্তি এবং হত্যার হুমকির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নির্দেশনায় মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

০৪ জুন শনিবার সকাল ১২ টায় বিক্ষোভ মিছিলটি মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হতে শুরু হয়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

পরে মৌলভী আনছারুল করিমের পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক কাউন্সিলার প্রণব কুমার এর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশড়ি শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-২ মহেশখালী- কুতুবদিয়া আসনের জনপ্রিয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক।সভাপতিত্ব করেন মহেশখালী পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া।

প্রাধান অতিথির বক্তব্যে আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, বিএনপির’পঁচাত্তরের হাতিয়ার’শ্লোগানই প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জেনারেল জিয়া জড়িত।বিএনপি এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে নিজেদের দলের প্রতিষ্ঠাতাকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করে নিয়েছেও বলে জানান।তিনি আরও বলেন,আওয়ামীলীগকে আগামী নির্বাচনে পরাজিত করতে বিএনপি জামাত সহ দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্রের পায়াতারা চলতেছে।উপস্থিত আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীদের উদ্যেশ্যে তিনি বলেন, সবাই প্রস্তুত থাকবেন যাতে করে দলের বিরুদ্ধে দেশি বিদেশী সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করা যায়।

উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্বের বক্তব্যে মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া বলেন, জামাত বিএনপি কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসী ও অছাত্রদের সমাবেশ ঘটিয়ে ‘পঁচাত্তরের হাতিয়ার’ শ্লোগান দিয়ে প্রমাণ করেছে যে পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড জিয়াউর রহমান ঘটিয়েছে এবং বিএনপি সেটি স্বীকার করে নিয়েছে এতে কোন সন্ধ্যেহ থাকেনা।তিনি আরও বলেন,বিএনপি জামাত বিগত নির্বাচনগুলোর পূর্বেও নানা রকম নৈরাজ্য সৃষ্টির ইঙ্গিত দিয়েছিল কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সমস্ত নেতাকর্মীরা সজাগ ছিল বলে তা কঠোর হস্তে দমন করতে পেরেছিল এবং আগামীতেও তারা যে কোন দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের পায়তারা করলেও সফল হবে না।

মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন,

মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী,সহ সভাপতি ফরিদুল আলম,বাবু মংরিফ্রু, নুরুল আলম,যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রুহুল আমিন,বাবু বজ্রগোপাল, মুক্তিযোদ্ধা ছালেহ আহমদ,বৃহত্তর গোরকঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম,ক্রিড়া সম্পাদক নবীর হোসেন ভুট্টো, উপ-প্রচার সম্পাদক এহসানুল করিম,উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী,ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার এনামুল করিম, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন,ধলঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুল আলম,উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী মহেশখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলার প্রতীকণা শর্মা,মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব সাজেদুল করিম,যুগ্ন-আহবায়ক সেলিম উল্লাহ সেলিম,মহেশখালী পৌর যুবলীগের আহবায়ক মোহাম্মদ মামুন কক্সবাজার জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ন-আহবায়ক সাবক ছাত্রলীগ নেতা সরওয়ার আলম,উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক জসিম উদ্দিন,উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ,সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমদ বাবু,পৌর ছাত্র লীগের আহবায়ক হাসান মোরশেদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- মহেমখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্র লীগ,শ্রমিক লীগ অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা এখন আবার সক্রিয় হয়েছে।তারা আরেকটি ১৫ ই আগস্ট এর পুনরাবৃত্তি ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করে যাবে।যেকোন পরিস্থিতিতে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওই হুমকীদাতাদের বিরুেদ্ধ রুখে দাড়াবে ইনশাআল্লাহ।