নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দ্বিতীয় সিঙ্গাপুর বা দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া বলতে বুঝানো হয়ে থাকে মাতারবাড়ী ইউনিয়নকে। যে যার মত বূলি দিয়ে মাতারবাড়ীবাসীকে শান্তনা দেয়। বাস্তবে দেখতে গেলে চক্ষ কপালে উঠবে। তেমনি মাতারবাড়ী টু চালিয়াতলি সড়কটি উন্নতমানের হউক,সেটি মাতারবাড়ী মানুষের স্বপ্ন।

নানা মূখী মানুষের যাত্রার যেন শেষ নেই।মাতারবাড়ী থেকে যদি কোথায়ও যেতে হলে, তাহলে রাজঘাট ব্রীজের পর থেকে প্রায় ১ বা দেড় কিলোমিটার রাস্তায় যথেষ্ট পরিমাণ ঝাঁকুনি( গাড়িতে অবস্থানকালীন) সহ্য খেতে হয়ে। কারণ রাস্তার অবস্থা বন্ধুর প্রকৃতির। এই রাস্তা অনেক নেতাকর্মী বা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকও যাত্রা করেছিল। কিন্তু রাস্তার ভাগ্য পরিবর্তন হল না আর।

মাতারবাড়ীর সাথে বদরখালী বা গোরকঘাটা বা অন্য কোথাও যেতে হলে এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। এটি দ্বিতীয় সিঙ্গাপুরে প্রধান সড়ক। সড়কটির প্রায় ১ কিলোমিটার জুড়ে ছোট-বড় গর্ত আর ভাঙ্গা। সরিজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায় যে ” সড়কটির অবস্থা রাজঘাট বিজ্রের পর থেকে খুবই খারাপ প্রকৃতির। কোন গর্ভবতী মহিলা যদি এই রাস্তা দিয়ে নেওয়া হয়,তাহলে মহিলাটি মুহুর্তেই মারা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। “

রাজঘাট এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন,” এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক সিএনজি বা ডাম্পার যাওয়া আসা করে।এমনকি প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদেশী বা শ্রমিকরা চলাফেরা করে থাকে।এই রাস্তা যদি ভেঙ্গে যায়,তাহলে মাতারবাড়ীবাসী চলাচলের দিক দিয়ে অন্ধ হয়ে যাবে।তাই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন ভাঙ্গন সৃষ্টি হওয়ার আগে মেরামত করে জনদূর্ভোগ থেকে মাতারবাড়ীবাসীকে রেহায় দেওয়া হউক।