মুহাম্মদ হোবাইব (মহেশখালী)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর এক অসহায় শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নজির স্থাপন করলেন মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম। স্থানিয় সংবাদকর্মী হোবাইব সজীব বলেন, তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে জেলে পরিবারের কন্যা ক্ষুদে শিক্ষার্থী রাইফাকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম,করোনাকালে তরকারি নয় কিনুন মানবতাকে! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর এক অসহায় শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সমাজ সেবক মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম অসহায় পরিবারকে নিজ অর্থায়ানে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। পড়ালেখার সব দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।

এরপর ছবিটি ফেসবুকসহ সংবাদমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথেই মহেশখালীর মানবিক নামেখ্যাত ইউএনও মোঃ জামিরুল ইসলাম রাইফার বিষয়ে খুঁজ নেন। এরপর প্রতিশ্রুতি দেন সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার। যেমন কথা তেমন কাজ, রাইফার পরিবারকে আজ ৫ জুলাই (রবিবার) বিকেল সাড়ে ৪ টার সাড়ে ৪ টার সময় তার কার্যালয়ে ডেকে উপজেলা প্রশাসনের মানবিক সহযোগিতার তহবিল থেকে নগদ অর্থের চেক, টিন ও রাইফার জন্য জামা তুলে দিলেন ইউএনও মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,উপজেলার কালারমারছড়া নোনাছড়ি বাজারে গত সোমবার বিকালে হতদরিদ্র পরিবারের স্থানিয় জয়নাল আবেদীনের মোবারকরা সোলতানা (রাইফা) নামক ৬ বছরের ফুটফুটে এক মাদ্রাসা শিশু নিজের বাড়ীর ক্ষেতের অল্প কিছু কচুর লতি নিয়ে করুন মুখে বসে আছে বিক্রিয় করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সময়ের কচুর লতির চাহিদা তেমন না থাকায় কেউ শিশু মেয়েটির কচুর লতির দিকে কিনতে যায়নি। তাই শিশুটি তার তরকারি বিক্রি হবেনা চিন্তা করে তার চেহারায় অসহায়ত্বের চাপ ফুটে উঠে।

শিশু কন্যাটির এমন একটি ছবিসহ স্থানিয় সংবাদকর্মী হোবাইব সজীবের টাইম লাইনে শিরোনাম হলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে ছড়ি পড়ে। ঠিক এমন সময় ফেসবুকের সূত্র ধরে শিশুটির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার পরিচয় দিলেন উপজেলার সবচেয়ে তরুণ সমাজ সেবক পাশ্ববর্তী শাপলাপুরের বাসিন্দা দিদারুল ইসলাম।