দ্বীপ নিউজ ডেস্ক:-

দুই মাসের বেশি সময় ধরে যারা মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করেছেন, এবার তাদের মধ্যে ০৩জন কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) শেখ আব্দুল হালিম (৩৮), মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) নুরুল আলম হেলালী ও নমূনা সংগ্রহে সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালকারী স্বাস্থ্য সহকারী মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন৷ শুরু থেকে এই পর্যন্ত তারা ৬০০ জনের কাছাকাছি করোনা রোগী ও সন্দেহ ভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নুরুল আলম হেলালী মোবাইলে জানান গত ২৬মে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব শেখ আব্দুল হালিম অসুস্থ হয়ে পড়েলে ২৮মে তার নমূনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে পাঠানো হয়৷ ৩১মে তার করোনা পজেটিভ নিশ্চিত হওয়া গেছে৷ তিনি চকরিয়া প্রাতিষ্টানিক আইসলোশনে চিকিৎসাধীন আছে৷ এরপর গত ০৬ই জুন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) নুরুল আলম হেলালীর করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে৷ বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসলোশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন৷
সর্বশেষ গত ০৮জুন পজেটিভ রিপোর্ট আসে শুরু থেকে নমূনা সংগ্রহে সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী, স্বাস্থ্য সহকারী মুহাম্মদ মুনির উদ্দিনের৷ তিনিও হোম আইসলোশনে চিকিৎসাধীন আছেন৷
বর্তমানে মহেশখালীতে রোগী আছেন ৫১জন৷ সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরছেন ২৯জন৷ রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং চকরিয়া ও রামু আইসলোশন সেন্টার রোগী পূর্ন হওয়ায় সিভিল সার্জনের নির্দেশনায় মহেশখালী আইসলোশন(গোরকঘাটা লিডারশীফ হাইস্কুল) সেন্টারটি পূনরায় চালু করা হয়েছে গতকাল থেকে৷ বর্তমানে সেখানে ০৫জন রোগী আছেন৷ বাকীরা হোম আইসলোশনে চিকিৎসাধীন আছেন৷ এখন পর্যন্ত মহেশখালীতে করোনা আক্রান্ত কেউ মৃত্যু বরন করেন নাই৷ এই পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরন করেছেন একজন৷ আইসলোশন ও হোম আইসলোশনে চিকিৎসাধীন আছেন২২জন৷ বর্তমানে প্রাতিষ্টানিক আইসলোশন সেন্টারে দায়িত্বরত আছেন মেডিকেল অফিসার ডা.মামুনুর রশীদ ও ডা.রিনি ধর, সিনিয়র স্টাফ নার্স তানজিনা আফরোজ ও রুমকি আক্তার এবং সহায়ক স্টাফ হিসেবে হাছিনা বেগম৷ বর্তমানে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট দিদারুল ইসলাম নিয়মিত ল্যাবের কাজ ও নমূনা সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন৷