বিবৃতি:

মহেশখালীতে কবরস্থান নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানান আহমদিয়া তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মওলানা মুহাম্মদ সিদ্দিক আযাদের। তাঁহার ফেসবুক ওয়াল হতে অপপ্রচার বন্ধের বিবৃতি টি নিম্নে হুবহু তোলে ধরা হলো:

এই মর্মে সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে অবহিত করা হচ্ছে যে, বিশেষ করে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের জনগণ তথা স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান, মেম্বার, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্টার ও উপজেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আমার এই পোস্ট।অদ্য ২৫ আগস্ট /২০২০ তারিখে কিছু স্থানীয় স্বার্থন্বেষী মাদ্রাসা বিদ্বেষী কিছু কুচক্রীমহল ব্যক্তিরা কবরস্থানকে কেন্দ্র করে সরাসরি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মানহানিকর (ফেসবুকে কিছু) লেখা আমার দৃষ্টিগোছর হয়।

মূলত সব কথা মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদীত।মূলকথা হচ্ছে তৈয়্যবিয়া মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে ও পশ্চিম পাশে দুইপাশে দুইটি কবরস্থান স্থিত আছে কিন্তু পশ্চিম পাশের ছোট কবরস্থানটি মাদ্রাসার নামে রেকর্ডিয় জমি হয়। উক্ত কবরস্থানে কিছু গাছ রয়েছে যে গাছগুলি স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি (নাম উল্লেখ করা হলো না) তার পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে প্রতিবছর কর্তন করে নিজে ভক্ষণ করে আসতেছে।কবরস্থানের কোন উন্নয়ন করে নাই।

অথচ, কবরস্থান মাদ্রাসার নামে রেকর্ডিয় জমি। তাকে এই বৎসর গাছ কর্তনে বাধা দিলে কবরস্থানের মায়া দেখিয়ে তার তলপিবাহক কিছু লোকদেরকে দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।তা বাদ দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সাথে বসে মিমাংসা করার জন্য বারবার বলা হলেও তারা মিমাংসাতে আসে না।এমতাবস্থায় জানাচ্ছি যে,কবরস্থান কবরস্থানই থাকবে কিন্তু কবরস্থানের রক্ষক বাহানা দিয়ে গাছ কর্তনের সুযোগ দেবে না মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

যেহেতু কবরস্থানটি মাদ্রাসার রেকর্ডিয় জমি। পরিশেষে বলা যাচ্ছে ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের যেকোন ব্যক্তি তা নিষ্পত্তি চাইলে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ নিষ্পত্তি করতে প্রস্তুত।