মহেশখালীতে তরুণদের নিয়ে সাহিত্য চর্চার উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় “তারুন্যের চোখে মহেশখালী” এই বিষয়ের উপর লিখা পাঠিয়ে দুই ক্যাটাগরিতে ৬জন বিজয়ীকে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলা প্রশাসনের হলরুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন দ্বীপাঞ্চল সাহিত্য পরিষদ।

দ্বীপাঞ্চল সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আ ন ম হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ বিন ছালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল হাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিটাকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরওয়ার আলম, সাংবাদিক নেতা মাহবুব রোকন, আ ন ম হাসান, কবি সুব্রত আপন, অসীম দাশ, এস এম রুবেল। এসময় প্রতিযোগীরা সহ প্রায় ৪০ জন সাহিত্যপ্রেমি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, মহেশখালী অতি সম্ভাবনাময় একটি স্থান। সরকারের বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে এখানে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর রয়েছে এই মহেশখালীর প্রতি। এখানে সাহিত্যচর্চার মাধ্যম গুলো বাড়াতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের সমাজ পরিবর্তনে এগিয়ে আসতে হবে। এসময় শিল্প ও সাহিত্যচর্চা বিষয়ক সংগঠন গুলোকে তিনি সার্বক্ষণিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল হাই বলেন, শুধুমাত্র শিল্প সাহিত্যের মাধ্যমেই আমরা যুগ থেকে যুগান্তরের ইতিহাস জানতে পারি। সুস্থ সমাজ গঠনে শিল্প সাহিত্য চর্চার বিকল্প নেই। আর জন্য প্রচুর বই পড়তে হবে। বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। শুধুমাত্র তরুণরাই তার সমাজ ও দেশকে পরিবর্তন করতে পারে। এসময় তিনি ইতিবাচক কাজে তরুণদের সার্বক্ষণিক সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে আলোচনা শেষে দুই ক্যাটাগরির ৬জনকে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। তারা হলেন “ক” বিভাগে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছেন শেখ মোহাম্মদ জয়, ২য় পুরস্কার পেয়েছেন জিয়াউল মোস্তফা জিসান, তৃতীয় পুরষ্কার পেয়েছেন শাহরিয়ার কবির। “খ” বিভাগে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছেন আবদুল্লাহ মোঃ রাফছান, ২য় পুরস্কার পেয়েছেন রাজিন সালেহ, তৃতীয় পুরষ্কার পেয়েছেন তাহসিনুল জাওয়াদ।