1. dwipnews24.info@gmail.com : Dwip News 24 :
  2. editor@dwipnews24.com : Newsroom :
মহেশখালীতে ভূয়া আদেশের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দখলের অভিযোগ | দ্বীপ নিউজ
February 21, 2024, 10:05 pm
শিরোনাম :
মাতারবাড়ীতে সাংবাদিকদের হাত-পা কেটে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাজাকে বিভিন্ন মহলে অভিনন্দন কক্সবাজার জেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা সম্মাননা পেলেন শাহরিন জাহান মহেশখালীতে ভুমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকার সুরক্ষার তাগিদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার-২ থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন সাংবাদিক নেতা মাওলানা ইউনুস মহেশখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় নিহত ১, নগদ টাকাসহ ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ  দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রধানমন্ত্রী আসছেন মাতারবাড়ী, সমাবেশে ২০ টি দাবি উত্থাপন করা হউক ডুসাম’র নবীন বরণ, বিদায়, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও স্মরণিকা “মিষ্টি পান” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত মহেশখালীর কুতুবজোমে পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার জামিয়া আরবিয়া ইসলামিয়া গোরকঘাটা (মাদ্রাসার) পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও অভিভাবক সম্মেলন সম্পন্ন

মহেশখালীতে ভূয়া আদেশের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দখলের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০
  • 294 ভিউ

মিজবাহ উদ্দীন আরজু (মহেশখালী প্রতিনিধি):

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভূয়া আদেশ তৈরি করে প্রধান শিক্ষকের পদ দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো হলো- মহেশখালী উপজেলা অন্তর্গত,চরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,শাপলাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,তাজিয়াকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর রাজঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আহম্মদ উল্লাহ, তাজিয়াকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুরুল ইসলাম, শাপলাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লিলা প্রভা দে, মাতারবাড়ী উত্তর রাজঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কামাল হোসেন প্রত্যেকেই ভূয়া আদেশ তৈরি করে স্ব স্ব প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে আছে।

ইতোপূর্বে মহেশখালীতে কর্মরত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে একবার তদন্ত হলেও তাতে আশানুরূপ কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি ৷

মহেশখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৩সালের ১০ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়।

এতে দেখা যায়,কুতুবজোমের তাজিয়াকাটা রেড ক্রিসেন্ট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নুরুল ইসলামকে সহকারী শিক্ষক। শাপলাপুরের মিটাকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লীলা প্রভা দে সহকারী শিক্ষক। মাতারবাড়ি উত্তর রাজঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কামাল হোছাইনকে সহকারী শিক্ষক। মহেশখালী পৌরসভার পুঠিবিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আহম্মদ উল্লাহকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দিতে আদেশ জারি করা হয়।

কিন্তু উল্লেখিত নামের কোন শিক্ষকই অফিস আদেশমতে নির্দিষ্ট স্কুল ও পদে যোগদান না করে ভূয়া আদেশ তৈরি করে প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে বসে৷

ভূয়া আদেশের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২০১৪সালের ১৩ই মার্চ আরেকটি অফিস আদেশ জারি করা হয় ৷

এতে দেখা যায়,কুতুবজোমের তাজিয়াকআটা রেড ক্রিসেন্ট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুরুল ইসলাম মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আরমান প্রধান শিক্ষক। শাপলাপুরের মিটাকাটা সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লীলা প্রভা দে প্রধান শিক্ষক। মাতারবাড়ী উত্তর রাজঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কামাল হোছাইন প্রধান শিক্ষক। মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া রেড ক্রিসেন্ট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাবেকুন্নাহারকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয় ৷

উক্ত আদেশে আহমদ উল্লাহর কোন ধরনের নাম না থাকা সত্বেও তিনি পুঠিবিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চরপাড়া রেড ক্রিসেন্ট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে আছে।

এবং অনুরুপভাবে কামাল হোছাইন, নুরুল ইসলাম, লিলা প্রভা দে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে আছে ৷

অদ্যাবধি তারা প্রধান শিক্ষক হিসেবে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছে ৷

ইতোপূর্বে তালিকাভূক্ত যুদ্ধাপরাধীর জামাল উদ্দিন প্রকাশ রাইফেল জামালের জামাতা আহম্মদ উল্লাহকে স্কুলের বিস্কুট চুরির দায়ে শোকজ করা হলে তিনি মহেশখালী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট পরপর দুবার মুচলেকা দেন এবং ভবিষ্যতে এধরনের কাজ আর করবেনা বলে অঙ্গিকার করেন ৷

ভূয়া আদেশমতে উক্ত শিক্ষকগণ অদ্যাবধি প্রধান শিক্ষক হিসেবে বেতন ভাতাদি উত্তোলন করে আসছে। উক্ত ভূয়া অফিস আদেশ তৈরিতে সহযোগীতা করেন তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত টিও শহিদুল্লাহ ৷

উক্ত বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আবু নোমান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন- উর্ধতন কতৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্তপূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

ইতোপূর্বে সহকারী শিক্ষকগণের অভিযোগের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিস হতে রামু উপজেলার শিক্ষা অফিসার গৌর চন্দ্র দে কে তদন্তভার দেওয়া হলেও অদ্যাবধি তদন্ত রিপোর্ট না আসাতে পূর্বের নিয়মে বেতন ভাতা চালিয়ে যাচ্ছি। অভিযোগ প্রমানিত হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অদ্যাবধি উত্তোলন করা বেতন ভাতাদি সরকারী কোষাগারে জমা করা পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে ৷

অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে, তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে তাদের বরাত দিয়ে শিক্ষক নেতা মিঠুন ভট্টাচার্য ও সাইদ আল করিম বলেন, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে মামলা সংক্রান্ত জটিলতা আছে সেহেতু তারা বক্তব্য দিতে পারেনা এবং শিক্ষা অফিসার চাইলে তাদের বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত © 2022 dwipnews24.net
Desing & Developed BY ThemeNeed.com
error: Content is protected !!