তারেক আজিজ(মহেশখালী)

করোনা ভাইরাসের অন্যতম হটস্পট হয়ে উঠেছে কক্সবাজার জেলা। জেলা শহরের চতুস্পার্শে থাকা উপজেলা গুলোর অবস্থা ও নাজুক, ধারাবাহিকভাবে বাড়তেছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অন্যন্য উপজেলার চাইতে মহেশখালী উপজেলায় সংক্রামনের হার আনুপাতিক হারে কম ছিল কয়েকদিন।

০৯ জুন ৩ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর সর্বশেষ ১০জুন বুধবার মহেশখালীতে ৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়,কক্সবাজার ল‍্যাবে মহেশখালীর ৪৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে তন্মধ্যে ৯ টি নমুনা পজিটিভ আসে।

আক্রান্তদের মধ্যে একজন হোয়ানক ইউনিয়নের, একজন পৌরসভার, একজন কালারমারছড়া পুলিশ ক‍্যাম্পের কনস্টেবল, একজন খাদ‍্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং বাকি পাচঁজন মহেশখালী থানার পুলিশ কনস্টেবল।

হোয়ানক ইউনিয়নের আক্রান্ত ব‍্যাক্তির নাম আব্দু সালাম(৫৬)। তিনি পেশায় একজন ডাক্তার। পৌরসভা এলাকার আক্রান্ত ব‍্যাক্তিটির নাম আবু তাহের(৪৮)। কালারমারছড়া ইউনিয়ন পুলিশ ক‍্যাম্পের আক্রান্ত কনস্টেবলের নাম কৃতিস সরকার(২৩)।

খাদ‍্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তার নাম সেলিম উল্লাহ(২৯) এবং মহেশখালী থানার পাচঁ কনস্টেবলের নাম যথাক্রমে- আব্দু রশিদ(২৯),নাজমুল ইসলাম (৩০),সুব্রত কুমার মার্মা(২৩),উছেলা মার্মা(২৮) ও বিজন বড়ুয়া(২৬)।

এ ব্যাপারে,মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, দ্বীপের মানুষদের সুরক্ষার ও নিরাপত্তার জন্য মহেশখালী থানার ৫ পুলিশ সদস্য ও কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ১ সদস্য লকডাউন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে মহেশখালীকে রক্ষা করতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত বাবুল আজাদ জানান, করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে থানা পুলিশ মাইকিং, লিফলেট, নানান প্রচার-প্রচারণা করতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত পুলিশদের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি৷