অনলাইন ডেস্ক:

আজকে জন্মানো শিশুটি মৃত্যু পর্যন্ত প্রকৃতির নিয়মে কোন না কোন সময় গান গাইবে, আন মনে নাচবে, মনের খেয়ালে ছবি আঁকবে। শৈশবের অনেক সময়ই ছবি আঁকতে চলে যায়।কখনো পেন্সিল বা কলম দিয়ে খাতায়, চক দিয়ে কোর্ডে কখনো বা বিশাল মাঠিই হয় অঙ্কনের জায়গা।

কিন্তু মহান আল্লাহ কাউকে জন্ম থেকেই  হয়তো ভাগ্যে লিখে দেন চিত্র শিল্পী হওয়ার কথা। সাধারণ শিশুর মতো আঁকতে যেয়ে পড়ে যান সেটার প্রেমি।নেশায় পড়ে আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠেন সুদক্ষ চিত্র শিল্পী।

হয়তো কখনো চারুকলার গন্ডিতে উঠার পূর্বেই হয়ে উঠেন নিপুণ শিল্পী।


আর.করিম দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। কিন্তু এর মাঝেই এঁকেছেন তিন হাজারেরও বেশি যাদুকরী চিত্র।

তার বহুমুখী অঙ্কন দেখলে বলতেই হয় ঈশ্বর নিজ হাতে তার মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে রঙ্গের মেলা বসিয়েছেন।কখনো এবড়োখেবড়ো দেয়ালে,কখনো কাঁঠাল পাতা দিয়ে, কখনো টি-শার্টের উপর কখনোবা কুলোয়। এছাড়া চিরপরিচিত কাগজ থেকে আরম্ভ করে দু’ইঞ্চির বইয়ের কোণায়।শুধু প্রকৃতির, ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর ছবি এঁকেছেন তা নয়।


বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা, রবীন্দ্রনাথ , নজরুল, হুমায়ুন আহমেদ, মান্না দে, ভূপেন হাজারিকা,মনির চৌধুরী যখন যার চেহারা সামনে আসে তারই ছবি এঁকে ফেলতে পারেন। শুধু তাই নয় যে কারো ছবি দেখেই হুবহু তার ছবি এঁকে দিতে পারবেন যেকোনো যায়গায়।

তিনি স্কুল জীবন পার করেছেন মহেশখালীতে এবং কলেজ জীবন কক্সবাজার উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে।পড়াশুনা, আঁকাআকি সহ বিভিন্ন সামাজিক, সংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সুদক্ষ হাতে কাজ করছেন। তিনি  উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি।  উপজেলা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। মহেশখালী পৌর শাখা। বাংলাদেশ চারুশিল্পী অধিকার আন্দোলন। কক্সবাজার আর্ট ক্লাব। মনিরখান সংঘ। এ ছাড়াও কিছু স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।


প্রকৃতির সঙ্গেই তাঁর আলিঙ্গন; প্রকৃতিকে ও বাদ দিচ্ছে না তাঁর দুই হাতের নৈপুণ্য কাজে। যেখানে যাচ্ছে সেখানেই এঁকে যাচ্ছে একেক রঙ্গের ছবি, দেশব্যাপী ছড়ানোর স্বপ্ন রয়েছে তাঁর।

করিম দ্বীপ নিউজকে জানায়, সে যেখান যান সময় পেলেই হয় মাঠিতে নয়তো খাতে কলমে আর্ট করে যায় বিভিন্ন ছবি প্রকৃতি। সে আশা রাখে, মহেশখালীবাসীর দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।