1. dwipnews24.info@gmail.com : Dwip News 24 :
  2. editor@dwipnews24.com : Newsroom :
মাতারবাড়ীতে বিয়ে করতে এসে খেয়েদেয়ে কনে ছাড়াই ফিরে গেলেন বর | দ্বীপ নিউজ
February 28, 2024, 9:34 pm
শিরোনাম :
মহাকাশ গবেষণায় মহেশখালীর ১১ শিশু-কিশোরের সফলতা মাতারবাড়ি প্রকল্পের ভিতরে সাংবাদিক রকিয়তকে আটকে রেখে মারধর ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন মাতারবাড়ীতে সাংবাদিকদের হাত-পা কেটে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাজাকে বিভিন্ন মহলে অভিনন্দন কক্সবাজার জেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা সম্মাননা পেলেন শাহরিন জাহান মহেশখালীতে ভুমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকার সুরক্ষার তাগিদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার-২ থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন সাংবাদিক নেতা মাওলানা ইউনুস মহেশখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় নিহত ১, নগদ টাকাসহ ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ  দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রধানমন্ত্রী আসছেন মাতারবাড়ী, সমাবেশে ২০ টি দাবি উত্থাপন করা হউক ডুসাম’র নবীন বরণ, বিদায়, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও স্মরণিকা “মিষ্টি পান” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত

মাতারবাড়ীতে বিয়ে করতে এসে খেয়েদেয়ে কনে ছাড়াই ফিরে গেলেন বর

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, জুলাই ২৬, ২০২২
  • 1005 ভিউ

মিজবাহ উদ্দীন আরজু: (দ্বীপ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক)

বিয়ের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, বরযাত্রীর খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষ। বিয়ে পড়ানোর আগমুহূর্তে সংঘটিত হয় এক অঘটন। মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীর স্থানীয় হাজী এ.ছালাম কমিউনিটি সেন্টার থেকে কনে ছাড়াই ফিরে গেলেন বরযাত্রী।

গতকাল ২৫ জুলাই (সোমবার) স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ড সর্দার পাড়ার মোহাম্মদ কামালের একমাত্র সন্তান হোবাইব ও একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মোহম্মদ ইসহাকের বড় মেয়ের বিয়ের কথা থাকলেও, শেষপর্যন্ত খেয়েদেয়ে বর সহ সকল বরযাত্রী বিয়ে না করে কনে ছাড়াই বাসায় ফিরলেন শূন্য হাতে।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের স্থানীয় সর্দারপাড়া (৯নং ওয়ার্ড) এর মোহাম্মদ কামালের একমাত্র সন্তান মোহাম্মদ হোবাইবের সাথে একই ইউনিয়নের (৪নং ওয়ার্ড) লাইল্যাঘোনার মোহাম্মদ ইসহাকের বড় মেয়ের সাথে বিবাহবন্ধনের জন্য উভয় পরিবারের মাঝে সবকিছু পাকাপোক্ত হয়। গত ২৪ জুলাই গায়ে হলুদ ও পরদিন ২৫ জুলাই ছিলো বিবাহের দিন। সবকিছু ঠিকটাকই চলছিলো। বর-কনে উভয়-ই গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে। এবং গতকাল ২৫ জুলাই বিবাহের সকল প্রস্তুতি শেষ করে কনে পক্ষ।

দুপুর হতে ৩০০ জনের অধিক বরযাত্রী স্থানীয় হাজী এ.ছালাম কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে খাওয়াদাওয়া পর্ব শেষ করে। পরে বিয়ে পড়ানোর মুহূর্তেই ঘটে যায় অঘটন। কনে সকলের সমানে অসম্মতি জানায় বিয়ে করতে, কনের পাল্টা জবাবে বরও জানায় বিয়েতে অসম্মতি। শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও হয়নি বিয়ে। কনে’কে ছাড়াই ঘরে ফিরলো বর সহ আগত সকল বরযাত্রী।

এনিয়ে (বর) মোহাম্মদ হোবাইব, দ্বীপ নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানায় – বিয়ের দিনের আগে থেকে সবকিছু ঠিকটাক যাচ্ছিলো। বিয়ের দিন আমাদের পক্ষের সকলে খাওয়াদাওয়া শেষ করে, আমিও গাড়ী করে কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে হাজির হই। আমাদের পক্ষের মানুষজন কনেকে দেখতে গেলে লক্ষ্য করে যে, আমার সাথে যে মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিলো সে মেয়ে নেই কনের আসনে। কনের জায়গায় বসে আছে তাঁর ছোটবোন। তাৎক্ষণিক খবরটি আমার অবিভাবকের কাছে আসলে, তিনি বড় মেয়ে অর্থ্যাৎ যার সাথে আমার বিয়ের কথা হয়েছিলো তাঁকে উপস্থিত করতে বলে কনের পিতা সহ তাঁদের লোকজনকে। পরে কনে পক্ষের লোকজন জানায়, মেয়েটি বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তাঁরা কোনভাবেই রাজি করাতে পারছেনা। তাই আমরাও চলে আসি। এমন একটি পরিস্থিতি হবে জেনেও কনেপক্ষের লোকজনের উচিত হয়নি আমাদের এনে সম্মানহানি করা। আমাদের বর পক্ষের কোন দোষত্রুটি থাকলে ওনারা চাইলে আগেভাগে জানাতে পারতেন। প্রয়োজনে বিবাহের সকল আনুষ্ঠানিকতা হতো না। আমাদের বরযাত্রী ৩০০ জনের চাইতে মানুষ আরো কিছু বেশি হওয়ায় আমার পকেট থেকে কনে পক্ষকে দিয়েছিলাম ৩০ হাজার টাকা এছাড়া তাঁদের গায়ে হলুদ জন্যেও দিয়েছি ৫ হাজার টাকা। অথচ বরের পকেটখরচের যে টাকা দেওয়ার কথা সেটাও দাবি করিনি আমি।

বিবাহটি আর হবে কিনা বা হওয়ার সম্ভবনা আছে কিনা তা জানতে চাইলে তিনি জানান – আমার অবিভাবক বলতে আমার পিতা, বড় বোনের জামাই, চাচারা আছেন। তাঁরা যে সিদ্ধান্তটি নিবে তাতে আমার সম্মতি থাকবে।

এনিয়ে কনের পিতা মোহাম্মদ ইসহাকের সাথে দ্বীপ নিউজ টোয়েন্টিফোর এর কথা হয়। তিনি জানান – বিয়ের আগের দিন পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিলো। হঠাৎ গায়ে হলুদের দিন, বর মোহাম্মদ হোবাইব আমার মেয়েকে কল করে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এসব নিয়ে চিন্তিত থাকায় বিয়ের দিন আমার বড় মেয়ে (কনে) অসুস্থ হয়ে পড়ে। বরযাত্রী আসার পর খাওয়াদাওয়া শেষ করে তাঁরা অসুস্থতার কথা জানল। তাঁরা আমাদের জানায়, মেয়েকে আগে সুস্থ করতে। সুস্থ হলে পরে উভয়পক্ষ বসে সিদ্ধান্ত নিবে বলেও জানায় তাঁরা।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানতে পারি – গতকাল সোমবার বিভিন্ন কারণে বিবাহ না হলেও, স্থানীয় সালিশকারকগণ উভয়পক্ষকে ৪ দিনের সময় দিয়েছে সমঝোতায় আসতে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত © 2022 dwipnews24.net
Desing & Developed BY ThemeNeed.com
error: Content is protected !!