দ্বীপ নিউজ ডেস্ক:

মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী রুহুলের পিতা আলহাজ্ব আব্দুল জলিল আর নেই। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আজ ১১ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৩ টার সময় রাজধানীতে এপোলো হাসপাতালে হৃদরোগ জনিত কারণে ইন্তেকাল করেন।

আজ আসরের নামাজের পর মাতারবাড়ী স্থানীয় পুরান বাজার মাঠ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।

উক্ত জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ বাদশা, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কবির আহমদ, কক্সবাজার দায়রাজজ আদালতের এডভোকেট ইব্রাহীম খলিল, ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্ছু, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মাষ্টার রুহুল আমিন, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জিএম ছমি উদ্দিন, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আবু হায়দার, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব-ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নবীর হোছাইন ভুট্টো, মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ন-আহ্বায়ক সেলিম উল্লাহ সেলিম, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শওকত ইকবাল মুরাদ সহ আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ সহ হাজার হাজার সাধারণ জনতা।

 

উক্ত জানাযায় উপস্থিত সকল সম্মানিত নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন, এবং পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের সন্তান মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী রুহুল বক্তব্য প্রদান করেন।

কক্সবাজার-২ আসনের মাননীয় সাংসদ বলেন, মৃত্যুর স্বাদ প্রত্যেক মানুষকে গ্রহণ করতে হবে। সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল ভাইয়ের আব্বার জানাজায় মানুষের ঢল’ই প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি কতটা ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইসমাইল নুরুের আপন বড় ভাই, আমাদের আওয়ামী লীগ পরিবারের একটি অংশ। তাঁর মৃত্যুতে আমি মর্মাহত। এবং শোকতপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

উল্লেখ্য যে, মরহুম আব্দুল জলিল বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইসমাইল নুরের বড় ভাই। স্বাধীনতা যুদ্ধে মরহুম আব্দুল জলিল ও পাক হানাদার বাহিনীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে পলাতক ছিলেন দীর্ঘদিন। হৃদরোগ জনিত কারণে গত ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, অবস্থার উন্নতি না হলে গতকাল ১০ জানুয়ারি আইসিইউ এম্বুলেন্স যোগে তাঁকে ঢাকা এপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর এপোলো হাসপাতালে তিনি দিবাগত রাত ৩ টায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।