দ্বীপ নিউজ ডেস্ক:

মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে মাতারবাড়ী হতে চালিয়াতলি সড়ক। বর্তমান সরকারের কয়েকটি বৃহৎ মেগাপ্রকল্পের কাজ মাতারবাড়ী- ধলঘাটায় চলমান। উক্ত মেগাপ্রকল্পে শ্রমিক সহ মাতারবাড়ী ধলঘাটার স্থানীয় বাসিন্দারের একমাত্র সংযোগ সড়ক এটি। দৈনিক ৭-৮ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি।

উক্ত সড়কের মাতারবাড়ী ব্রীজের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সামনের রোডের অবস্থা খুবই জরাজীর্ণ ; দৈনিক ২/৩ টা গাড়ী দূর্ঘটনা লাগাতার হচ্ছে উক্ত স্থানে। শনিবার (১২ সেপ্টম্বর) বিকাল নাগাদ উক্ত স্থানে একটি টমটম মালবাহী  এবং মাতারবাড়ী প্রকল্পগামী একটি ট্রাক গাড়ী উল্টে গিয়ে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে স্থানীয়রা জানায়, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই উক্ত সড়কের এমন বেহাল দশা। এমন অকেজো সড়কের কারণে মাতারবাড়ী থেকে বিভিন্ন রোগী বাইরে নিয়ে যেতেই পথে মৃত্যু হওয়ার সম্ভবনা। ঠিক কতটি প্রাণ গেলে উক্ত সড়কের এমন সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যাবে এমনটা যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য যে বিগত কয়েক বছরে উক্ত সড়কে গাড়ী দূর্ঘটনায় ৪/৫ জনের মৃত্যু সহ সড়কের মাঝপথে অসংখ্য রোগীর মৃত্যু হয়।

জনৈক একজন এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মাতারবাড়ী থেকে চালিয়াতলি সড়কের অবস্থা তিন বছর আগে আরো বেহাল ছিল। মাননীয় সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মাতারবাড়ী আগমণের পর উক্ত সড়কের মেরামত কাজ সহ কার্পেটিং কাজ হয়েছিল। কিন্তু মাতারবাড়ী থেকে চালিয়াতলি সড়ক সম্পূর্ণ মেরামত হলেও মাঝেরচরের পর থেকে তেমন ভালো ভাবে সংস্কার এবং কোনরকম কার্পেটিং হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি  উক্ত সড়কের অর্ধেক কার্পেটিং হয়ে মাতারবাড়ীর পাশের অর্ধেক কার্পেটিং না হওয়ার প্রশ্ন  তোলেন এলাকাবাসী।

এব্যাপারে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।