সদ্যবিবাহিত তারমিনা বেগম নামের এক মেয়ে নিখোঁজ এর অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ এর পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন এর আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় নিখোঁজ তারমিনার জীবন নাশের আশংকা করছে পরিবার।

জানা যায়, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন এর মাইজপাড়া এলাকার তারমিনা বেগম এর সাথে বিগত ৫ মাস আগে বিয়ে হয় সিকদার পাড়া এলাকার আব্দুর রহিম এর ছেলে সাদ্দাম হোসেন এর সাথে।

বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক কারণে অকারণে শারিরীক ও মানসিকভাবে অত্যাচার চলছিল তারমিনা বেগম এর উপর। যা তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হত প্রতিনিয়ত। অত্যাচার এর অভিযোগ তারমিনার পরিবারকে জানানোর কারণে অত্যাচার এর মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় বলে জানান নিখোঁজ এর মা।

শ্বশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক নানাবিধ অত্যাচার এর পর গত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে তারমিনা বেগম নিখোঁজ এর খবর দেন স্বামী সাদ্দাম হোসেন। তবে নিখোঁজ এর পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এর আচার-আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ বলে জানান নিখোঁজ তারমিনার মা।

এদিকে নিখোঁজ তারমিনার সন্ধান না করে উলটো মেয়ের পরিবারকে নানাবিধ হুমকি দিয়ে আসছে তারমিনার স্বামী সাদ্দাম হোসেন, শ্বশুর আব্দুর রহিম, শ্বাশুড়ি গোলবাহার এবং দেবর এহসান।

নিখোঁজ তারমিনার নিকটাত্মীয় সকলের কাছে কোন খোঁজ খবর না থাকার কারণে প্রাথমিকভাবে শ্বশুরবাড়ি লোকজন কর্তৃক বড় ধরণে দূর্ঘটনা ও মেয়ের প্রাণ নাশের আশংকা করছে তারমিনার পরিবার।

এদিকে মেয়ে কোন প্রকার সন্ধান না পেয়ে মহেশখালী থানায় শ্বশুর বাড়ির লোকজনকে আসামী করে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন তারমিনার মা।

অভিযোগ এর বিষয়ে মহেশখালী থানার ওসি আব্দুল হাই জানান, মেয়ে নিখোঁজ এর বিষয়ে তারমিনার মা লিখত অভিযোগ দিয়েছেন। নিখোঁজ তারমিনার সন্ধানে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

এর আগে, মহেশখালীর কালামরছড়া এলাকায় গৃহবধূ নিখোঁজ থাকার ৬ দিন পর শ্বশুরবাড়ি আঙ্গিনায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আফরোজা নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।