নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ৬নং ওয়ার্ড তিতামাঝির পাড়া ছদর আমিন রোড নামে পরিচিত প্রস্থে মাত্র আঁধা ফিট একটি ড্রেইনের উপর প্রতিদিন ৪ হাজার এর অধিক মানুষ চলাচল করে যাচ্ছে দীর্ঘ ৯ মাস।

প্রতিনিয়ত নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির উপর হাজার ও মানুষের পায়ের ছাপ, যেন ইতিহাস হয়ে থাকার মতো,স্থানীয়রা বলেন তাদের কাছে এটাই যেন মহা যন্ত্রণা।

মহামারী করোনাভাইরাস করোনার পূর্বে উক্ত রাস্তা সম্পূর্ণ খুলে রাস্তার পরিমাপ নির্ধারন করে প্রথমে ড্রেইনের কাজ শুরু করা হয়েছিল। প্রকল্প নং:০৩ (বিজিসিসি সভা) ২০১৮/০৯/১১-প্রকল্পের নাম: তিতামাঝিরপাড়া ছদরবর রাস্তার ড্রেইন নির্মাণ। দৈর্ঘ্য ১১৯ মিটারের প্রস্থ ০.২৫০ মিটার। উচ্চতা ০.৫০০ মিটার। বরাদ্দের পরিমান ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) টাকা (সরকারি ভ্যাট-ট্যাক্স সহ) তহবিল/খাত:এলজিসপি-৩, ২য় কিস্তি(বিবিজি)অর্থ বছর ২০১৮-২০১৯(বাস্তবায়ন ২০১৯-২০২০)।

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ড্রেইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ও কাজের ধীরগতি নিয়ে স্থানীয়রা নানান ধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন। স্থানীয়রা বলেন ১১৯ মিটার দৈর্ঘ ড্রেইনের কাজে ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার দুই নাম্বার বালু, সিমেন্ট, ইট ব্যবহার করেছেন এবং রাস্তায় আগের যে ইট গুলো ছিল তা ও তারা তুলে নিয়ে অন্য স্থানে ব্যবহার করেছেন, গেল কয়েকমাস আগে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে আমাদের যে কষ্ট কেউ চোখ রাখেনি! এই সমস্যাটা নিয়ে আমরা কয়েকজন স্থানীয় চেয়ারম্যান মহোদয় মাস্টার মোহাম্মদ উল্লার কাছে জানালে তিনি গত দুই এক মাস ধরে রাস্তাটি সম্পূর্ণভাবে সংস্কার করে  দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু এখনো রাস্তাটা ঐ অবস্থায় পড়ে আছে।

বিশেষ করে ওয়ার্ড মেম্বার জাকের হোছাইনের সাথে রাস্তার সমস্যা নিয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি কারন তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থানরত। কিন্তু এমন এক সময় ছোট একটা রাস্তা সংস্কারের কাজ নিয়ে অনিয়ম ও সম্পূর্ণ অবহেলা ওয়ার্ড মেম্বার জাকের হোছাইনের বলে দাবী করেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। একি রাস্তার বিপরীত পশ্চিম দিকে মাঝেরডেইল রাস্তা নিয়ে ও রয়েছে স্থানীয়দের অভিযোগ।

মাঝেরডেইল রাস্তার বিষয় নিয়ে বিশেষ করে স্থানীয় এক প্রবাসি জানান ঐ দিকের রাস্তায় চলচলে সমস্যা হওয়ার কারনে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছিল এবং উক্ত রাস্তা নিয়ে দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দের কথা বলেছিলেন কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয় নি। পরিশেষে অবহেলিত স্থানীয় ভোক্তভোগীরা কুৎসিত অবস্তায় পড়ে থাকা এবং সংস্কার না হওয়া রাস্তার সমস্যা সমাধান নিয়ে আবার ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং উপজেলা, জেলা প্রশাসকের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেন।