মেহেদী হাসান মামুন (ভোলা)

ফুড বাস্কেট ভোলার প্রতিষ্ঠাতা সানজানা আইভির পরিবারে তার মা-ই ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। কিন্তু মায়ের পক্ষে একা পুরো পরিবারের খরচ চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছিল। তাই বর্ষা তার মাকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেন। যাতে পরিবারটি একটু ভালোভাবে চলতে পারে। এখন এই ডিজিটাল যুগে কি করবো ভাবতে ভাবতে চলে গেছে অর্নাস জীবনের দুবছর তারপর ফেসবুকে দেখতে পেলাম বিভিন্ন খাবারের পেইজ এবং প্রতিদিন খাবারের পেইজ গুলো ফলো করতাম কিভাবে সেল পোস্ট দিতে হয় শিখলাম একদিন সাহস করে একটা পেইজ ও খুলে ফেলি তারপর আম্মুর রান্না করা ছবি দিয়ে সেল পোস্ট করি।

অল্প কিছুদিনের ভিতর আমার পেইজটি মানুষের পদচারনা শুরু হয় লাইক কমেন্ট শেয়ার আমি নিজেও সারপ্রাইজ হয়ে যাই কাজের স্পীড বেড়ে যায় অনেক গুন আমি আজও সেদিনের কথা স্মরণ করি। প্রথম অর্ডার পাওয়ার পর তার মাকে ফেসবুক পেজটি সম্পর্কে বলি। প্রথমে তার মা অবাক হন এবং একই সাথে বেশ খুশিও হন। মা বলেছিল খাবার যে তৈরি করবা কিছুই নেই বাসায় সেদিন প্রথম বাজারে একা যাওয়া। আমি তার কথামতো সবকিছু কিনে আনি। এভাবেই আমি নিজে প্রথম অর্ডার গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম কারন আমার কোন ডেলিভারি বয় ছিলনা।

দুষ্টামির ছলে একটি পেইজ আমার যে বিজনেস হয়ে যাবে চিন্তা করিনি কখনও। বর্ষা আরও বলেন, ‘আমার মা এবং আমি অনেক অর্থকষ্টের সম্মুখীন হয়েছি। আমরা কৃতজ্ঞ যে, সেই দুঃসময় কাটিয়ে উঠেছি। আমি মনে করি, আমার মায়ের রান্না করা খাবার দিয়ে ফেসবুক পেজ খোলার সিদ্ধান্ত আমাদের জীবনের সেরা ও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’