নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রামু নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সড়কের কচ্ছপিয়ার দোছরী নারিকেল বাগান পয়েন্টে পূনরায় ধ্বসে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েগেছে পার্বত্য এলাকার বিশাল এক ইউনিয়ন ও রামু উপজেলার একটি ওয়ার্ড। এক ইউনিয়ন ও একটি ওয়ার্ড হলেও প্রায় লক্ষাধিক মানুষের আবাসন। তৎমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমান্ত এলাকা ও রাজস্ব খাতের অন্যতম এরিয়া দৌছড়ি ইউনিয়ন।

সীমান্ত রক্ষায় বিজিবির ব্যাটলিয়ন ক্যাম্প একটি ও ছয়টি বিওপি। অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্হাপনা আর বনায়ন। স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী ত আছেই। উক্ত সড়কটি যোগাযোগের একমাত্র ও প্রধান তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য যে উক্ত সড়কের ভাংগন এবার সহ তিন বার।

সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ অর্থবছরে এই ভাংগন পূনঃনির্মানের জন্য প্রায় ৮৮ লক্ষ টাকার বাজেট হয়। পুনঃ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার বছর না পেরোতেই কয়েকদিনের মুষলধারে বৃষ্টিতে সড়কটি ফাঠল ধরে ধ্বসে যায়। যার দরুন এখন যাতায়াত বন্ধ।

স্হানীয় ওয়ার্ড মেম্বার জয়নাল আবেদীন জানান, এই নদীর স্রোত বেশী তাই ভাংগন পুনঃ নির্মাণ বাজেটে যে কাজ করা হয়েছিল তাতে যথেষ্ট ত্রুটি ছিল ডিজাইনে। এই ভাংগন ঠেকাতে টেকশই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে নাহয় কখনোই এই সড়ক রক্ষা করা সম্ভব নয়।

কচ্ছপিয়া নাগরিক সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম টিপু জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কের ভাংগন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে সম্পূর্ণ রূপে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বিশাল জনগোষ্ঠী দূর্ভোগে পড়বে শুধু তা নয়, গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এরিয়া হুমকির মুখেও পড়তে পারে। তাই ভাংগন অংশ অতিদ্রুত মেরামত করে যাতায়াত স্বাভাবিক করা জরুরি হয়ে পড়ছে।

কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু ইসমাইল নোমান জানান, উক্ত সড়কের ভাংগন বিষয়ে যতাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।