আ ন ম হাসান:

কোনোরকম সংঘাত-সহিংসতা ছাড়াই আনন্দ আর উল্লাসে শেষ হলো মহেশখালীর বহুল আলোচিত বড় মহেশখালী ও কালারমারছড়া দুই ইউপিতে উৎসবের নির্বাচন। বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টায়।

ভোরের আলো না ফুটতেই উৎসাহ নিয়ে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা এসে জড়ো হতে থাকে ৷ প্রথমবারের মতো মহেশখালীর কোন ইউনিয়নে এবারই ইভিএমে ভোট দেয় ভোটাররা। দুই ইউপিতেই জয় পেলো দুই বর্তমান চেয়ারম্যান। দুই ইউপিতেই জয় পেলো দুই বর্তমান চেয়ারম্যান।

এ নির্বাচনে কালারমার ছড়া থেকে সর্বোচ্চ ১৯,৩৪২ ভোটে নৌকা প্রতীক নিয়ে ফের বিজয়ের মালা পড়লো বর্তমান চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী তারেক বিন ওসমান শরীফ এবং বড় মহেশখালী থেকে সর্বোচ্চ ৮,৪৭৪ ভোটে চশমা প্রতীক নিয়ে বিজয় পেলো বর্তমান চেয়ারম্যান এনায়েত উল্লাহ বাবুল।

বড় মহেশখালীতে বিজয়ী প্রার্থী এনায়েত উল্লাহ বাবুল পেয়েছেন ৮৪৭৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নিশান পেয়েছেন ৭০৮২ ভোট, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী পেয়েছেন ৬৯১৬ ভোট, আনছারুল করিম রাজু ১০৪ ও মৌলানা বেলাল হোসাইন পেয়েছেন ৪৫৬ভোট।

অপরদিকে কালারমার ছড়ায় তারেক বিন ওসমান শরীফের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আক্তারুজ্জামান বাবু টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮৯৮, সাংবাদিক মোহাম্মদ হোবাইব ২৮৩ , আব্দুস সালাম ১৭৮ , রবি উল্লাহ সিকদার ৩৯ , নুর মোহাম্মদ ২১৮, নুরুল ইসলাম ৭৮ ও সালাউদ্দিন পেয়েছেন ৪৭ ভোট।

এদিকে সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহন দুপুর ১টা পর্যন্ত ঠিকঠাক চললেও দুপুর পরবর্তী সময়ে কালারমার ছড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড তথা উত্তর নলবিলা কেন্দ্রে নৌকা ও টেলিফোন প্রতীকের সমর্থকদের মাঝে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে। তবে এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিলো নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিলো র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ম্যাজিস্ট্রেড।

অন্যদিকে নবম ধাপের এ ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হলো মহেশখালীর ৮ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।