১৯৯৫ সাল আমি তখন মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। একদিন নিয়মিত ক্লাস শেষে তখনকার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কয়েকজন বড়ভাইদের কাছ থেকে জানতে পারলাম ততকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী “শেখ হাসিনা” মাতারবাড়ী ইউনিয়নে আগমন করবে এবং মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভা করবে। তখন আরো উপলব্ধি করলাম জননেত্রীর আগমন উপলক্ষে জননেত্রীকে বরণ ও জনসভা সফল করতে মাতারবাড়ী আওয়ামী পরিবারের মধ্যে একটা উৎসবের আয়োজন চলছে।

তারেই ধারাবাহিকতায় ততকালীন মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল ভাই ও সাধারণ-সম্পাদক আবু হায়দার ভাই মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে। সেই সভায় আমি জন্মসুত্রে আওয়ামিলীগের দীক্ষা পাওয়া একজন ছাত্র হিসেবে নিজ আগ্রহ থেকে উপস্থিত হয়ছিলাম।

সেইদিন উক্ত প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত থেকে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ততকালীন সভাপতি “এম আলতাফ উদ্দিন” স্যার সাধারণ-সম্পাদক “জাবের আহমদ হেলালি” ততকালীন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান “মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ” বি এ ততকালীন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি “রাশেদ খান মেনন” ও সাধারণ সম্পাদক “আবু তাহের” ভাই ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রধান করেন।

পরবর্তীতে উনাদের দিক নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সেইদিন জননেত্রীকে রাস্তার দুপাশে দাড়িয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিই। সেইদিন ততকালীন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি “এম আলতাফ উদ্দিন” ও সাধারণ সম্পাদক “জাবের আহমদ হেলালির” অক্লান্ত পরিশ্রম ও দিক নির্দেশনায় জনসভা সফল করে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সেইদিন জননেত্রীকে কাছে পেয়ে উৎসবে মেতে উঠেছিল মাতারবাড়ীর সাধারণ জনতা এবং ভালোবাসায় সিক্ত করেছিল জননেত্রীকে। মাতারবাড়ীর সাধারণ জনতার ভালোবাসার জবাবে জননেত্রী সেইদিন মাতারবাড়ীকে ২য় টুঙ্গিপাড়া হিসেবে ঘোষণা করছিল।

আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি ১৯৯৫ সালে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ছিল আবু তাহের। হয়তোবা বর্তমান রাজনীতিতে তাদের ত্যাগের কথা জানেনা নতুন প্রজন্ম….
আর তাঁরা হইতোবা আপনার নেতার মত সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা নেইনি।

বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়িয়ে অন্যের ক্রেডিট চুরি করতে করতে সময় চলে গেলে কাজের কাজটা হবে কখন???
রাজনীতি পন্যের হাট না। একের পিছনে এক।মিথ্যা গুজব রটিয়ে বিভান্তি বিশৃংঙ্খলায় লিপ্ত যুবশক্তি আর যা হোক সমাজ পরিবর্তনে ভুমিকা রাখতে পারে না।
সবার জন্য শুভ কামনা রইল…..

লেখক:-কাইছারুল ইসলাম কায়েস

সাবেক ছাত্রনেতা-কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।।