1. dwipnews24.info@gmail.com : Dwip News 24 :
  2. editor@dwipnews24.com : Newsroom :
৫ লাখ টাকা নিয়েও গুলি করে হত্যা, ওসি প্রদীপ সহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা | দ্বীপ নিউজ
February 5, 2023, 9:34 am
শিরোনাম :
মহেশখালীতে চোলাই মদের কারখানায় পুলিশের অভিযানে আটক ১জন; মদ সহ সরঞ্জাম জব্দ কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে মাঝিমাল্লা সহ মাছভর্তি ট্রলার নিখোঁজ মহেশখালীতে ওসির নেতৃত্বে অস্ত্র ও মাদক তৈরীর কারখানার সন্ধান: বিপুল পরিমান সরঞ্জামাদি উদ্ধার কাল মাতারবাড়ী আসছেন শায়েখ মুফতি জহিরুল ইসলাম ফরিদী মহেশখালী বাইতুল আমান হেফজখানার দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান সম্পন্ন; পাগড়ি পেলেন ৮ হাফেজ ইয়াবা ব্যবসায়ী কর্তৃক সাংবাদিক নুরুল আলম সিকদারকে হত্যার হুমকি: থানায় জিডি কক্সবাজারে আজগুবি তালিকা নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি, তালিকা সম্পর্কে জানেনা কোন সংস্থা জেলার সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নূরী, সা-সম্পাদক আলম সাংবাদিক শফিউল্লাহ শফির বিরুদ্ধে মানহানিকর সংবাদে উদ্বেগ জানিয়ে কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের বিবৃতি মহেশখালীর পাহাড়ি গাছে বেঁধে সিএনজি ড্রাইভারের হাতের কব্জি কেঁটে নিল সন্ত্রাসীরা

৫ লাখ টাকা নিয়েও গুলি করে হত্যা, ওসি প্রদীপ সহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২০
  • 115 ভিউ

অনলাইন ডেস্ক:

৫ লাখ টাকা আদায় করে আরো ৫ লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’র নামে সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে।

এই অভিযোগে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৭ জন পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ ছাড়া এই মামলার অপর আসামি হলেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নূরুল আমিন প্রকাশ নুরুল্লাহ।

মঙ্গলবার নিহত সাদ্দাম হোসেনের মা গুল চেহের এর দায়ের করা ফৌজদারি এজাহার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা হিসেবে রুজু করেছে।

আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এই মামলা একজন এএসপি পদমর্যাদার অফিসারকে দিয়ে তা তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আবদুল বারী ও ইনসাফুর রহামান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

মামলায় হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমানকে প্রধান ও ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ২নং আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, ৪ জুলাই টেকনাফ হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান একদল পুলিশ নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার মৃত সুলতান আহামদ প্রকাশ বাদশার ছেলে সাদ্দাম হোসেন ও তার ভাই জাহেদ হোসেনকে বাড়ির অদূরে রাস্তা থেকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।

তাদের ছাড়িয়ে আনতে ফাঁড়িতে যান মামলার তাদের মা গুলচেহের। কিন্তু তাদের ছেড়ে দিতে সম্মত হলেও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান। এক পর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকায় উভয়ের মধ্যে রফাদফা হয়।

পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে একই দিন তিন লাখ সরাসরি মশিউর রহমানের হাতে দেন গুল চেহের। বাকি দুই লাখ পরদিন মশিউর রহমানের কথা মতো তার পাঠানো বাহক ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নুরুল আমিনকে দেন।

বাদী এজাহারে আরো উল্লেখ করেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান পাঁচ লাখ টাকা গ্রহণ করার পর দুই ভাইয়ের মধ্যে জাহেদ হোসেনকে একটি মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয়। ৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে ৩০০ গজ দূরে এনে সাদ্দাম হোসেন ও অন্য একজনকে গুলি করে পুলিশ। এতে গুরুতর আহত হন সাদ্দাম হোসেন। পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বাদী গুল চেহের এজাহারে দাবি করেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ মশিউর রহমান, সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও মামলার তিন নম্বর আসামি আরিফুর রহমানের পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অন্যান্য আসামিরা সবাই যোগসাজশ হয়ে সাদ্দাম হোসেনকে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করে। সাদ্দামকে মারার কিছুদিন আগে একইভাবে তাদের বাবা সুলতান আহমদ প্রকাশ বাদশাকেও পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করেছে বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন।

কিছুদিনের ব্যবধানে স্বামী ও সন্তানকে হারিয়ে মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন বাদী গুল চেহের। অন্যদিকে এই বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করতে নিয়মিত হুমকি দিয়েছে পুলিশ। তাই মামলার আবেদন করতে বিলম্ব হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী গুল চেহের।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. আরিফুর রহমান, এসআই সুজিত চন্দ্র দে, এসআই অরুন কুমার দে, এসআই মো. নাজিম উদ্দিন ভুইয়া, এসআই নাজিম উদ্দিন, এসআই কামরুজ্জামান, এএসআই আমির হোসেন, এএসআই কাজি সাইফুদ্দিন, এএসআই নাজিম উদ্দিন, এএসআই মাঈন উদ্দিন, এএসআই মাযহারুল ইসলাম, এএসআই নঈমুল হক, এএসআই মিশকাত উদ্দিন, এএসআই রাম চন্দ্র দাশ, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, আবু হানিফ, মো. শরীফুল ইসলাম, মো. আজিজ, দ্বীন ইসলাম, মো. বোরহান, মো. জসিম উদ্দিন, আব্দু শুক্কুর, শেকান্দর, মহি উদ্দিন ও হ্নীলা ইউনিয়নের দফাদার নুরুল আমিন প্রকাশ নুরুল্লাহ। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত © 2022 dwipnews24.net
Desing & Developed BY ThemeNeed.com
error: Content is protected !!